উচ্চ রক্তচাপের কারণ

সোমবার, জানুয়ারি ২১, ২০১৯ ৭:১০ পূর্বাহ্ণ
Share Button


উচ্চ রক্তচাপ আমাদের জীবনে খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। একজন সুস্থ মানুষের রক্তের চাপ সিস্টোলিক ১১০ থেকে ১০০ মিলিমিটার এবং ডায়াসটেলিক ৭০ থেকে ৯০ মিলিমিটার। সাধারণভাবে, যদি কোনো ব্যক্তির হৃদ-সংকোচন বা সিস্টোলিক রক্ত চাপ উভয় বাহুতে ১৪০ মি.মি পারদ অথবা উপরে থাকে কিংবা হৃদ-প্রসারণ বা ডায়াস্টলিক চাপ ৯০ মি.মি পারদ অথবা উপরে থাকে, তাহলে তার উচ্চ রক্তচাপ বলা যেতে পারে। সাধারণত একজন মানুষের বয়স ৪৫ বছর হলে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।

রোগের কারন

১. বংশগত কারণে উচ্চরক্তচাপ হতে পারে।

২. উত্তেজনা ও উদ্বেগের কারণে হয়।

৩. বেশী স্বাস্থ্যবান মানুষের উচ্চরক্তচাপ হয়।

৪. স্বাস্থ্যহীনতা ও রক্তহীনতার কারণেও হতে পারে।৫. যদি কেউ কম পরিশ্রমী হয় তাহলে সে ব্যক্তি উচ্চরক্তচাপে আক্রন্ত হতে পারে।

রোগের লক্ষণ

১. মাথা ব্যথা হয় ও চাপ ধরে থাকে।

২. ঘাড়ের ব্লগ টেনে ধরে এবং ঘাড় ব্যথা হয়।

৩. মাথা ঘুরে পড়ে যেতে পারে।

৪. অনিদ্রাক্লান্তি ও অবসাদ নেমে আসে।

৫. বেশী চাপ বাড়লে রোগী অজ্ঞান হয় এবং প্যারালাইজড বা অঙ্গহানি ঘটে।

৬. কানের মধ্যে ঝাঁ ঝাঁ করে।৭. কাজে মনোযোগ দেয়া যায়।

খাবার ও চিকিৎসা

১. বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

২. ডায়েট কন্ট্রোল করতে হবে।

৩. চর্বিযুক্ত খাবার মাখন, ঘি, খাসির মাংস, গরুর মাংস খাওয়া যাবে না।

৪. রাগ, মানসিক উত্তেজনা, চিন্তা কমাতে হবে।

৫. ফল ও শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে।

৬. ওজন কমাতে হবে।৭. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।

রোগের কারন

১. বংশগত কারণে উচ্চরক্তচাপ হতে পারে।

২. উত্তেজনা ও উদ্বেগের কারণে হয়।

৩. বেশী স্বাস্থ্যবান মানুষের উচ্চরক্তচাপ হয়।

৪. স্বাস্থ্যহীনতা ও রক্তহীনতার কারণেও হতে পারে।৫. যদি কেউ কম পরিশ্রমী হয় তাহলে সে ব্যক্তি উচ্চরক্তচাপে আক্রন্ত হতে পারে।

রোগের লক্ষণ

১. মাথা ব্যথা হয় ও চাপ ধরে থাকে।

২. ঘাড়ের ব্লগ টেনে ধরে এবং ঘাড় ব্যথা হয়।

৩. মাথা ঘুরে পড়ে যেতে পারে।

৪. অনিদ্রাক্লান্তি ও অবসাদ নেমে আসে।

৫. বেশী চাপ বাড়লে রোগী অজ্ঞান হয় এবং প্যারালাইজড বা অঙ্গহানি ঘটে।

৬. কানের মধ্যে ঝাঁ ঝাঁ করে।৭. কাজে মনোযোগ দেয়া যায়।

খাবার ও চিকিৎসা

১. বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

২. ডায়েট কন্ট্রোল করতে হবে।

৩. চর্বিযুক্ত খাবার মাখন, ঘি, খাসির মাংস, গরুর মাংস খাওয়া যাবে না।

৪. রাগ, মানসিক উত্তেজনা, চিন্তা কমাতে হবে।

৫. ফল ও শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে।

৬. ওজন কমাতে হবে।৭. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।

Share Button